দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
তার দেশে প্রত্যাবর্তন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। রয়টার্স, এএফপি ও বিবিসিসহ বিশ্বের প্রভাবশালী বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। অধিকাংশ প্রতিবেদনে তাকে ‘সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম দিয়েছে— ‘নির্বাচনের আগে নির্বাসন থেকে ফিরলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী’। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই প্রত্যাবর্তনে দলের সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে বলে বিএনপি আশা করছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে তাকে প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি তাদের প্রতিবেদনে শিরোনাম করেছে— ‘সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে পৌঁছেছেন’। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর বিপুলসংখ্যক উচ্ছ্বসিত সমর্থকের সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ফিরেছেন সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা তারেক রহমান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে এবং বিএনপির উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত তারেক রহমান ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণের পর দলের নেতাদের সঙ্গে হাত মেলান। এ সময় তার স্ত্রী ও মেয়ে তার সঙ্গে ছিলেন।
এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে— ‘১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা তারেক রহমান। তার নেতৃত্বে আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়েছে বিএনপি। ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে বসবাসরত তারেক রহমান দেশের নতুন নেতা হতে পারেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
