কীভাবে আয়াতোল্লা আলি খামেনির নাগাল পেল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—তা নিয়ে এখনো একাধিক তত্ত্ব সামনে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির পর অবশেষে ২৮ ফেব্রুয়ারি তারা সাফল্য পায় বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্যও সামনে এসেছে। জানা গেছে, তেহরান শহরের ট্র্যাফিক সিগনাল ব্যবস্থার ওপরও নাকি সাইবার হ্যাকিং চালিয়েছিল ইসরায়েল, যাতে করে শহরের চলাচল ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়।
এছাড়া আরও একটি নতুন তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। দাবি করা হচ্ছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ খামেনির ঘনিষ্ঠ মহলের ভেতরেই নিজেদের গুপ্তচর ঢুকিয়ে দিয়েছিল। এমনকি দন্ত চিকিৎসকের ছদ্মবেশে কিছু এজেন্ট খামেনির ঘনিষ্ঠদের চিকিৎসা করার সময় তাদের দাঁতের ভেতরে সূক্ষ্ম ‘ট্র্যাকিং চিপ’ বসিয়ে দেয়।
সেই চিপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবস্থান নিয়মিতভাবে নজরদারি করা হতো। শেষ পর্যন্ত সেই তথ্যের সূত্র ধরেই খামেনেইয়ের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
