ইরানে ইসরায়েলি–মার্কিন যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। সোমবার (২ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট।
এর আগে রোববার (১ মার্চ) রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছিল, আগের ২৪ ঘণ্টায় ইরানে অন্তত ৫৭ জন নিহত হয়েছেন।
এদিকে, ইরানের মিনাবে মেয়েদের একটি স্কুলে শনিবারের হামলায় নিহতের সংখ্যা দেড়শ ছাড়িয়েছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
শনিবার সকালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর বাসভবন লক্ষ্য করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়। ওই হামলায় খামেনি নিহত হন।
রোববার ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, শনিবার খামেনির কমপাউন্ডে চালানো যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানায়, “আমেরিকা ও জায়নবাদী শাসনের যৌথ হামলায় শনিবার সকালে ইসলামী বিপ্লবের নেতা মহান আয়াতুল্লাহ ইমাম সাইয়্যিদ আলী খামেনি শাহাদাত বরণ করেছেন।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরও জানায়, ওই হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও নিহত হয়েছেন।
এদিকে, ইসরায়েলি–মার্কিন যৌথ হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরায়েলে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তারা খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
অন্যদিকে, খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে লেবাননের হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েলও লেবাননে পাল্টা হামলা চালায়।
হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রও। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ চার সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।
